দক্ষিণ বাংলা - দক্ষিনের জনপদের খবর দক্ষিণ বাংলা - দক্ষিনের জনপদের খবর আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন - দক্ষিণ বাংলা আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন - দক্ষিণ বাংলা
বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:২১ অপরাহ্ন

আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

এস এম শামীম, আগৈলঝাড়া
  • প্রকাশিতঃ বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
  • ৪৭ জন নিউজটি পড়েছেন

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানা গেছে, বুধবার সকালে করোনা মহামারির কারণে দিবসটি পালনের জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগ সীমিত পরিসরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ কর্মসূচি পালন করে। সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল সাড়ে ৯টায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে স্বাস্থ্য সুরাবিধি মেনে সীমিত পরিসরে পুস্পমাল্য অর্পণ ও সকল শহীদদের স্মরনে একমিনিট নীরবতা পালন শেষে ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠিত হয়।

দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈর সভাপতিত্বে দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত। আলোচনা সভা ও দোয়া মিলাদে উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য ও আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, আওয়ামী লীগ নেতা এস এম হেমায়েত উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক মলিনা রানী রায়, জেলা পরিষদ সদস্য পিয়ারা ফারুক বক্তিয়ার, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সরদার, আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ তালুকদার, রাজিহার ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস, বাগধা ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাবুল ভাট্টি, গৈলা ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম টিটু, রতœপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার, উপজেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি এ্যাড. আবুল কাশেম সরদার, সাধারন সম্পাদক ছরোয়ার দাড়িয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ফিরোজ সিকদার, সাধারন সম্পাদক গোলাম নবী সেরনিয়াবাত, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সাইদুল সরদার, সাধারন সম্পাদক অনিমেষ মন্ডল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মিন্টু সেরনিয়াবাত, সাধারন সম্পাদক জাকির পাইকসহ পাঁচ ইউনিয়নের দলীয় সভাপতি সাধারন সম্পাদকসহ অংঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত বলেন, ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন এই দিনে পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে এক ঐতিহাসিক প্রোপটে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম হয় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী এই দলটির। টানা তিন মেয়াদে রাষ্ট্রমতায় রয়েছে আওয়ামী লীগ। দলটি জাতি গঠনের প্রতিটি আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। শুরুতে আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে যাত্রা শুরু করলেও পরে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক সংগঠন হিসেবে প্রসার ঘটে আওয়ামী লীগের। প্রতিষ্ঠার শুরুতে দলটির নেতৃত্বে ছিলেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শামসুল হক।

জন্ম নেওয়ার দুই দশক পরই আওয়ামী লীগের বড় অর্জন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জন। তাই তো বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশ’ এই তিনটি নাম ইতিহাসে একই সূত্রে গাঁথা। আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূল ধারা। আওয়ামী লীগ মানেই সংগ্রামী মানুষের প্রতিচ্ছবি। উপমহাদেশের রাজনীতিতে গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে দলটি। এ দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রত্যুজ্জ্বল। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন, ছেষট্টির ছয় দফা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের যুগান্তকারী নির্বাচন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে জয়ী হওয়ার গৌরব রয়েছে আওয়ামী লীগের।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ বলেন, এ বছর ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের মধ্য দিয়ে ৭৩ বছরে পা রাখছে আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সঙ্গে এক সূত্রে গাঁথা। করোনা মহামারীর কারণে গত বছরও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে হয়েছে সীমিত পরিসরে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে। আওয়ামী লীগের ৭২ বছরের ইতিহাস গৌরবের, ত্যাগের এবং সাফল্যের। যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দলটি সেদিন যাত্রা শুরু করেছিল, সেই প্রত্যয় এখনো বিরাজমান। দিনে দিনে ইতিহাসের খাতায় নতুন নতুন সাফল্য যোগ হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ধর্মনিরপে-অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, শোষণমুক্ত সাম্যের সমাজ নির্মাণের আদর্শ এবং একটি উন্নত সমৃদ্ধ আধুনিক, প্রগতিশীল সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা বিনির্মাণের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দর্শনের ভিত্তি রচনা করে আওয়ামী লীগ। যার পরিপ্রেেিত ১৯৫৫ সালের কাউন্সিলে অসাম্প্রদায়িক নীতি গ্রহণের মাধ্যমে সংগঠনটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’।

১৯৪৮ সালে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সূচিত ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালে গণজাগরণে পরিণত হয়। অব্যাহত রাজনৈতিক নিপীড়নের শিকার তরুণ সংগ্রামী নেতা শেখ মুজিবুর রহমান সেই সময়ে কারান্তরালে থেকেও ভাষা আন্দোলনে প্রেরণাদাতার গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন। ভাষা আন্দোলনের বিজয়ের পটভূমিতে ১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টের কাছে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় হয়। ৬৬-তে বাঙালির বাঁচার দাবি ছয়দফা দেন বঙ্গবন্ধু। এক হয় সাড়ে সাত কোটি বাঙালি। ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে বাঙালি মুক্ত করে বঙ্গবন্ধুকে।

৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। মতা হস্তান্তরে পাকিস্তানিদের টালবাহানা। স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু। নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে আসে স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু যখন দেশ গড়ার পথে, ঠিক সেই সময়ে ৭৫-এর ১৫ আগস্ট কালরাতে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় জাতির পিতাকে। আবারও উল্টোপথে বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগের ওপর নেমে আসে নির্যাতনের খড়গ। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা নির্বাসনে। কঠিন সময়ে দলের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন জোহরা তাজউদ্দীন।

৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ হাসিনা। ফিরে আসেন দেশে। ভোট-ভাতের অধিকার আদায়ে রাজপথে শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগ। শত নির্যাতনেও দমেনি দলটি। প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে এখন পর্যন্ত ২১টি জাতীয় সম্মেলন হয়েছে আওয়ামী লীগের। অতীতের সম্মেলনগুলোতে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি পর্যন্ত নির্বাচিত হয়েছেন শত শত নেতা। তবে এখন পর্যন্ত সভাপতি হয়েছেন সাতজন। এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ নয়বার, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তিনবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ দুইবার এবং এএইচএম কামারুজ্জামান ও আবদুল মালেক উকিল একবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আর সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন একবার নির্বাচিত হয়েছেন দলের আহ্বায়ক।

এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ৯ জন। সবচেয়ে বেশি চারবার করে হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান। এ ছাড়া তাজউদ্দীন আহমদ তিনবার, আবদুর রাজ্জাক, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ও ওবায়দুল কাদের দুইবার করে, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক, আবদুল জলিল একবার করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত বলেন, ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্টের সেই ভয়াবহ ঘটনা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নিহত হন সপরিবারে। সামরিক সরকার মতা দখল করে। ১৯৭৫-এর ৩ নভেম্বর কারাগারের ভেতরে নিহত হন আওয়ামী লীগের চার নেতা তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এএইচএম কামারুজ্জামান এবং এম মনসুর আলী। দলটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুঃসময় এসে হাজির হয়। এমন একটি পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ সালের ৩ ও ৪ এপ্রিল হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে দলের ১১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাউন্সিলর ছিলেন প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন এবং ডেলিগেটও সমসংখ্যক ছিলেন। এতে দলের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন। এর পরের বছর ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১২তম জাতীয় সম্মেলন। ৩ থেকে ৫ মার্চ হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কাউন্সিলর এবং সমসংখ্যক ডেলিগেট নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলনটি। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন আবদুল মালেক উকিল এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুর রাজ্জাক।

১৯৮১ সালের ১৩তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দলীয় ঐক্য ধরে রাখার জন্য এ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্বে আনা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। ৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিলেন ৩ হাজার ৮৮৪ জন। সভায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও আবদুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮২ সালে আবদুর রাজ্জাক দল ত্যাগ করলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৮৭ সালের ১ থেকে ৩ জানুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের ১৪তম জাতীয় সম্মেলন। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিলেন প্রায় ৪ হাজার। সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এরপর ১৯৯২ সালের ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দলের ১৫তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়। এতে কাউন্সিলর ছিলেন প্রায় ২ হাজার ৫০০ ও ডেলিগেটও ছিলেন সমসংখ্যক। এতে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত ১৬তম জাতীয় সম্মেলন আওয়ামী লীগের জন্য বিশেষ গুরুত্বের। কারণ প্রায় ২১ বছর পর দলটি মতায় আসার পর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সম্মেলন। ৬ ও ৭ মে আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে কাউন্সিলর ছিলেন ২ হাজার ৫১৬ এবং ডেলিগেটও ছিলেন সমসংখ্যক। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুননির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও জিল্লুর রহমান। ২০০২ সালে আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে তখন পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় দলের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনে সভাপতি শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুল জলিল। ২০০৭ সালের পট পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে মতায় আসে। এরপর ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১৮তম জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

২০১২ সালের ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১৯তম জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুননির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে পুনরায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে সমৃদ্ধির পথে। উন্নয়নের পথে হাঁটা আওয়ামী লীগের ল্য উন্নত বাংলাদেশ।

দক্ষিণ বাংলা ডটকম এর জন্য সারাদেশে সংবাদ দাতা নিয়োগ চলছে
যোগাযোগঃ- ০১৭১১১০২৪৭২, news@dokhinbangla.com




এই ক্যাটাগরির আর নিউজ




Salat Times

    Dhaka, Bangladesh
    বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
    ওয়াক্তসময়
    সুবহে সাদিকভোর ৪:৩২
    সূর্যোদয়ভোর ৫:৪৭
    যোহরদুপুর ১১:৫১
    আছরবিকাল ৩:১৭
    মাগরিবসন্ধ্যা ৫:৫৫
    এশা রাত ৭:১০




© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দক্ষিণ বাংলা:-2018-2021
সারাদেশের সংবাদ দাতা নিয়োগ চলছে ০১৭১১১০২৪৭২
themesba-lates1749691102
বাংলা English