সর্বশেষ খবর
বাংলাদেশ, শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩

আমদানির পরও অস্থির চালের বাজার, বেড়েছে তেলের দামও

ডেস্ক রিপোর্ট
দক্ষিণ বাংলা সোমবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
আমদানির পরও অস্থির চালের বাজার, বেড়েছে তেলের দামও

আমদানি করা চাল বাজারে আসার পরও বাড়ছে দাম। এতে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে কমে গেছে বিক্রি। দাম সহসা কমার কোনো ইঙ্গিতও নেই পাইকারদের কাছে। লাগাম টানা যাচ্ছে না সয়াবিন তেলের দামেও। সপ্তাহের ব্যবধানে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম।

চালের ঊর্ধ্বমুখী বাজার নিয়ন্ত্রণে দেড় মাস আগে দেয়া হয় আমদানির অনুমতি, কমানো হয় শুল্ক। বিদেশ থেকে দেশের বাজারে আসতেও শুরু করেছে সেই চাল। এরপরও কমেনি বরং দেশি চালের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দাম বাড়ছে আমদানি করা চালের দামও।

ব্যবসায়ীরা জানান, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে পাঁচ-ছয় টাকা পর্যন্ত। এমনকি বিদেশি চাল বাজারে এলে দাম কমবে এমন ধারণায় দ্রুত মজুত করা চাল আগেই বিক্রি করে বিপাকে পড়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। তবে দাম বৃদ্ধির পাইকারি বাজারের প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। এতে দৈনিক বাজারের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ভোক্তারা।

এদিকে বাজারে ধানের সঙ্কট থাকায় চালের দামের ওপর প্রভাব পড়েছে। মোটা চালের তুলনায় চিকন চালের দাম বেশি বেড়েছে। তবে এলসি করা চালের দামে কোনো প্রভাব পড়েনি। খুচরা বাজারে কেজি প্রতি মোটা চাল স্বর্ণা পাঁচ ৪৮ টাকায়, বি আর আটাশ ৪৫ টাকায়, জিরাশাল ৬৫ টাকায়, কাটারি ৬৬ টাকা এবং মিনিকেট ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে চাল কিনতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

খুলনার টুটপাড়া জোড়াকল বাজারের চাল বিক্রেতা আবু বক্কর, গোলাম আলী, মোঃ শাহিন জানান, চালের আমদানী কম দেখিয়ে ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধি করায় খুচরা বাজারে দাম কমছে না। তবে বাজারে নতুন চালের আমদানী বৃদ্ধি পেলে দাম কমতে পারে। তবে মিল থেকে কারসাজি করা হচ্ছে বলেও জানান এই দোকানীরা।

এছাড়া চালের বাজারের সঙ্গে যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সয়াবিন তেলের দাম। এক সপ্তাহে প্রতি লিটারে বেড়েছে ১০ টাকা। ব্যবসায়ীরা জানান, চাহিদার অর্ধেক তেলও সরবরাহ পাচ্ছেন না তারা।

খুলনার বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার জানান, বাজারে এখন চাল তেল আর চিনির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। বিষয়টি সব সময় মনিটরিং করা হচ্ছে। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, সে কারণে আমাদের এখানেও তেলের দাম বৃদ্ধি পেছেছে। চালের বিষয়ে তিনি বলেন, বাজারে চালের দাম বৃদ্ধির অনেকগুলো কারণ রয়েছে। তবে ভারতীয় চালের আমদানী বৃদ্ধি পেলে দাম কমবে, খাদ্য বিভাগ যদি খোলা বাজারে চাল বিক্রি শুরু করে তাহলেও দাম কমবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। চিনির দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে এই কর্মকর্তা বলেন, চিনির দাম খুব শিঘ্রই কমে যাবে।


আরো নিউজ