কোটালীপাড়ায় পরকিয়া করার অভিযোগে ইউপি সদস্যকে গণধোলাই

রাতুল হাসান, গোপালগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ
দক্ষিণ বাংলা সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০২২

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৫নং রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের নির্বাচিত সদস্য দুলাল রায়কে পরকিয়া করার অভিযোগে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী। এসময় ইউপি সদস্য দুলাল রায়ের কপালের বাম পাশ ফেটে গিয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় গ্রামবাসী কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
জানাযায়, ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য দুলাল রায় গত ৫ নভেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় চালতে বাড়ি গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে নাম কীর্তন গান শোনার জন্য উদ্দেশ্যে রাধাগঞ্জে যান। পরে কীর্তন গান থেকে রাত ১১ টার সময় ৪ নং ওয়ার্ডের খাকবাড়ি গ্রামের গৌরঙ্গ বিশ্বাসের স্ত্রী অনিমা বিশ্বাসকে সঙ্গে নিয়ে তার বাড়িতে যায়, এসময় গ্রামবাসী টের পেয়ে গৌরঙ্গ বিশ্বাসের বাড়ি ঘিরে ফেলে। ইউপি সদস্য দুলাল দরজা খুলে দৌড়ে পালানোর সময় জেমস বিশ্বাস ছোটনের উঠানে পৌঁছালে গ্রাম বাসীর হাতে ধরা পড়ে। এসময় উত্তেজিত সাধারণ মানুষ চোর চোর, মার মার বলে কিল, ঘুষি ও লাথি মেরে গণধোলাই দেয়।
খাক বাড়ি গ্রামের সাধারণ মানুষেরা
সাংবাদিকদের বলেন, শনিবার রাতে অনৈতিক কাজ করে পালানোর সময় পড়েগিয়ে কপালের বাম পাশে কেটে যায় মেম্বর দুলাল রায়ের। পরে আমরা অন্ধকারের মধ্যেই তাকে গণধোলাই দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি।
পার্শ্ববর্তী বাড়ির জেমস বিশ্বাস ছোটন ও দোকানদার সুবল মন্ডল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ২নং ওয়ার্ডের মেম্বর দুলাল রায় গৌরঙ্গ বিশ্বাসের স্ত্রী অনিমা বিশ্বাসের বাড়িতে এসে অনৈতিক কাজ করে আসছিলেন। গত শনিবার রাতে অনৈতিক কাজ করার সময় আমরা এলাকাবাসীদের সহযোগিতায় তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলি। এসময় উত্তেজিত জনতা মেম্বরকে গণধোলাই দেয়।
২নং ওয়ার্ডের আহত ইউপি সদস্য দুলাল রায় বলেন, আমার আত্মীয়র জমি জমার সমস্যার সমাধান করতে গেলে জেমস বিশ্বাস ছোটন তার লোকজন নিয়ে আমার উপর হামলা করে আহত করে। এবিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ করেছি।
এবিষয়ে জানার জন্য ৫নং রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভীম চন্দ্র বাড়ৈ এর মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।


আরো নিউজ