সন্ধান মেলেনি কেরানীগঞ্জের নিখোঁজ দুই শিশুর

ডেস্ক রিপোর্ট
দক্ষিণ বাংলা বুধবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
সন্ধান মেলেনি কেরানীগঞ্জের নিখোঁজ দুই শিশুর

গত ১ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জের রুহিতপুরে বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সালমান ফার্সি (১২)। তার পরনে ছিল সুরমা রংয়ের পাঞ্জাবি।

এ ঘটনায় ৪ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন পিতা মাজহারুল ইসলাম। কিন্তু দুই সপ্তাহের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সালফান ফার্সির কোনো সন্ধান মেলেনি।

একইভাবে ৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে শাক্তা ইউনিয়নের অগ্রখোলায় খেলার মাঠ থেকে বাসায় ফেরার পথে নিখোঁজ হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মো. ইয়াছিন (১০)। তার পরনে ছিল ট্রাউজার ও ফুলহাতা সাদা গেঞ্জি।

ওই রাতে এ ঘটনায় ইয়াছিনের চাচা কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরদিন তারা মুক্তিপণ দাবি করা একটি চিরকুট পান। ৬ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ডায়েরি অপহরণ মামলায় রূপ নেয়।

অপহরণ মামলার বাদী হন নিখোঁজ ইয়াছিনের বাবা মোহাম্মদ আলী। ইয়াছিন নিখোঁজ হওয়ার পর কেটে গেছে দুই সপ্তাহ। কিন্তু সন্ধান মেলেনি ইয়াছিনের।

এদিকে দুই শিশুর নিখোঁজের ঘটনায় ভয় আর আতঙ্কে কাটছে পরিবার দুটির। সালমান ফার্সির মা শাহেদা বেগম একমাত্র সন্তানের চিন্তায় হয়েছেন শয্যাশায়ী। সন্তানের খোঁজে ইয়াছিনের পিতা ঘুরছেন রাস্তায় রাস্তায়।

ইয়াছিন অপহরণ মামলাটি তদন্ত করছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ইন্সপেক্টর (অপারেশন) আসাদুজ্জামান টিটু। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইয়াছিন নিখোঁজ হওয়ার পর ওদের বাসার সামনে পরপর তিনটি চিরকুট পাওয়া যায়। এসব চিরকুটে ইয়াছিনের মুক্তিপণ হিসেবে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিপণের চিঠি পাওয়ার পর থানায় একটি অপহরণ মামলা হয়। সম্ভাব্য সব জায়গায় আমরা ইয়াছিনের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছি। চিরকুট নিয়েও বিচার বিশ্লেষণ চলছে। কিন্তু ইয়াছিনের কোনো সন্ধান পাচ্ছি না। তবে আমরা তদন্ত অব্যাহত রেখেছি।

সালমান ফার্সির নিখোঁজের ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, শিশু সালমান ফার্সির নিখোঁজ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। আমরা সেটি তদন্ত করে দেখছি। কিন্তু এখনো নিখোঁজ শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।


আরো নিউজ
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHOSTBD