/ অগ্নিঝরা মার্চ
একাত্তর সালের এই সময়টি ছিল রাজনৈতিক উদ্বেগ ও উত্তেজনাময়। যতই দিন গড়াচ্ছিল বাঙ্গালী জাতির অস্থিরতা ততই বাড়ছিল। এদিন বঙ্গবন্ধু ও প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের মধ্যে কোন বৈঠক হয়নি। কিন্তু এবার তিনি বিস্তারিত...
এদিন পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো ১০ জন উপদেষ্টা সহ করাচী থেকে ঢাকায় আসেন। তার আগমন উপলক্ষে বিমানবন্দরে সেনা মোতায়েন করা হয়। কড়া নিরাপত্তায় তাকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নিয়ে যাওয়া
এদিন বঙ্গবন্ধু ও ইয়াহিয়া খানের মধ্যে চতুর্থ দফা বৈঠক হয়। বৈঠক সোয়া দুই ঘন্টা ব্যাপী স্থায়ী হয়। বৈঠক শেষে বেড়িয়ে এসে বঙ্গবন্ধু দেশি বিদেশী সাংবাদিকদের বলেন আলোচনার কিছুটা অগ্রগতি হচ্ছে।
এইদিন সেনাবাহিনীর বাঙ্গালী সৈন্যরা স্বাধীনতার লক্ষ্যে প্রথম বিদ্রোহ করে । ঢাকার কাছে জয়দেবপুর সেনা ছাউনিতে পাকিস্তানী কমান্ডিং অফিসাররা বাঙ্গালী সৈন্যদের অস্ত্র জমা দিতে বলে । কিন্তু বাঙ্গালী সৈন্যরা তাদের নিরাপত্তাজনিত
আরেকটি অগ্নিঝড়া দিন বাঙ্গালী জাতি অতিবাহিত করে। ১৯৭১ সালের এইদিনে পুর্ব বাংলার সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষিত একটি তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। গত ২ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত সারা
এদিন বঙ্গবন্ধু সকাল দশটার দিকে যান ইয়াহিয়া খানের আলোচনা করার জন্য ।যথারীতি সহকর্মীদের নিয়ে কালো পতাকাযুক্ত সাদা গাড়িতে তিনি প্রেসিডেন্ট হাউজে গমন করেন। আলোচনা ঘন্টাব্যাপী স্থায়ী হয়। আলোচনা শেষ করে
১৯৭১ সালের উত্তাল সময়ে সর্বত্র চলছিল অসহযোগ আন্দোলন। ঠিক এই সময়ে শুরু হয় বহুল আলোচিত মুজিব ইয়াহিয়া বৈঠক। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট হাউজে যান আলোচনা করতে। বঙ্গবন্ধুর সাদা
এইদিন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঢাকায় এসে উপস্থিত হন। তিনি উপরে আলোচনা করার কথা বলেন কিন্তু ভিতরে নিয়ে এসেছেন অতি ভয়ংকর এক গনহত্যার নীলনকশা যা বাঙ্গালী জাতি কোনদিন